আত্মহত্যা নাকি পরিকল্পিত হত্যা?

উপজেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার ২৭ আগস্ট, ২০২০ /

ময়মনসিংহের ভালুকায় বাস চালকের সহকারী জনি মিয়া (২০) নামে একজনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঝুলন্ত মরদেহের পা মাটিতে লেগে থাকায় জনমনে সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, এটা কি আত্মহত্যা নাকি পরিকল্পিত হত্যা? তবে পুলিশ বলছে, এই মৃত্যু নিয়ে ধুম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে বলেই, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহত জনি মিয়া গাজীপুরের কাপাশিয়া এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে। সে বাস চালকের সহকারী হিসাবে কাজ করতেন।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ভালুকা পৌর সভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের তুতাখার ভিটার বুলবুলের বাসা থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ।

পরে বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে মরদেহ ময়নাতদন্তের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।

স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা যায়, জনি মিয়া মাত্র ক’দিন আগে বিয়ে করে স্ত্রীকে নিয়ে ওই ভাড়া বাসায় ওঠেন। তবে স্ত্রীর সাথে তার বনিবনা হচ্ছিল না। এদিকে, ঘটনার রাত ৮টার দিনে কাজ সেরে বাসায় ফেরেন জনি। ওই সময় তার স্ত্রী বাসায় ছিল না।

পরে বাসার ফ্যানের হুকের সাথে গলায় স্ত্রীর ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন জনি। বাসার অন্য কক্ষের লোকজন টের পেলে বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশকে খবর দিলে রাতেই লাশ উদ্ধার করে।

ভালুকা মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মেহেদী হাসান বলেন, এ ঘটনায় প্রাথমিক একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন আছে কিনা, এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, শরীরে কোন আঘাতের চিন্হ নেই। তবে, এই আত্মহত্যা নিয়ে সন্দেহ আছে বলেই লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলেই বুজা যাবে। এটাকি হত্যা নাকি আত্মহত্যা। তবে, এ বিষয়ে এখনো কোন অভিযোগ কেউ করেনি বলেও জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন :