এ কেমন চোর!

গৌরীপুর নিউজ
প্রকাশিত : সোমবার ২৯ এপ্রিল, ২০১৯ /

সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে এক সোনার দোকানে চুরি করতে গিয়েছিলেন সাগর হোসেন (২৩)। তিনি ছিলেন দোকানের ভেতরে। দোকানের সব মূল্যবান জিনিস অন্য চোরদের হাতে দিয়েছিলেন সাগর। সঙ্গীরা জিনিস নিয়ে তাঁকে দোকানে ফেলেই চলে যায়! শেষে পুলিশের হাতে ধরা পড়েছেন সাগর।

শনিবার রাতে বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার পৌর শহরের রিমঝিম জুয়েলার্স নামের একটি সোনার দোকানে এ ঘটনা ঘটে। চুরি করতে এসে সেই দোকানে আটকে পড়েন সাগর হোসেন। পুলিশের হাতে ধরা পড়েছেন তিনি। তবে অন্য চোরেরা দোকান থেকে সিন্দুক ভেঙে সোনা–রুপার গয়নাসহ প্রায় ৫০ লাখ টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে গেছে। এ ঘটনায় দোকানমালিক সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়িতে অভিযোগ করেছেন।

ওই দোকানের মালিক হায়দার আলী বলেন, প্রতিদিনের মতো শনিবার রাতে দোকানের কাজ শেষ করে বাসায় চলে যান তিনি। আজ রোববার সকালে দোকান খুলে দেখেন যে তাঁর দোকানের ভেতরে একজন চোর আটকে রয়েছে। এ সময় দোকানঘরের সিন্দুক ভাঙা ও সিলিং কাটা ছিল, ছড়িয়ে–ছিটিয়ে ছিল বিভিন্ন জিনিস। চোরেরা দোকানের ছাউনির টিন কেটে ভেতরে ঢুকে প্রায় ৫০ লাখ টাকার সোনা ও চাঁদির গয়না নিয়ে গেছে।

দোকানে আটকে পড়া চোর সাগর হোসেন জানান, চুরি করার জন্য তাঁকে বগুড়া থেকে সান্তাহারে নিয়ে আসে সোহেল ও রাসেল নামের দুই ব্যক্তি। শনিবার রাত ১১টার দিকে রিমঝিম জুয়েলার্সের টিনের ছাউনি কেটে সাগর দোকানের ভেতরে ঢোকেন। এ সময় সোহেল, রাসেল ওপরে ছিল। সাগর বলেন, ‘আমি দোকানের সব জিনিসপত্র নিয়ে ওই দুজনকে দিলে তাঁরা সব নিয়ে আমাকে দোকানের ভেতর রেখে পালিয়ে যায়। আমার পায়ের সমস্যার কারণে ওপরে উঠতে না পেরে দোকানের ভেতর আটকে যাই।’

জানা গেছে, সাগর হোসেন বগুড়া রেলওয়ে সুইপার কলোনির মৃত মঞ্জুর হোসেনের ছেলে। এদিকে সান্তাহার টাউন পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক আনিসুর রহমান চুরির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অন্য চোরদের আটক করার চেষ্টা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন :