চিকিৎসককে মারধর, যুবলীগ নেতাসহ ৫ জন কারাগারে

জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার ৮ জুলাই, ২০২১ /

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. এ এইচ এম সালেকিন মামুনকে মারধরের ঘটনায় যুবলীগ নেতা মাহবুবুল হক মনিসহ পাঁচজনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বুধবার (৭ জুলাই) বিকাল সাড়ে ৪টায় ময়মনসিংহ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক ইমাম হাসান এ নির্দেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোর্ট ইন্সপেক্টর প্রসুন কান্তি দাস।

আসামিরা হলেন- মুক্তাগাছা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মাহবুবুল আলম মনি (৩৫), কামরুজ্জামান (৩৫), জুয়েল (২৭), রানা দে (২৬), শরীফ (২৫)।

কোর্ট ইন্সপেক্টর প্রসুন কান্তি দাস বলেন, চিকিৎসককে মারধরের ঘটনায় যুবলীগ নেতা মাহবুবুল হক মনিসহ পাঁচজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার (৬ জুলাই) রাতে মাহবুবুল হক মনিকে আসামি করে ডা. এ এইচ এম সালেকিন বাদী হয়ে মুক্তাগাছা থানায় মামলা করেন।

মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল আকন্দ বলেন, এ ঘটনায় মামলার পর রাতেই মাহবুবুল হক মনিসহ অন্যদের গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়।

মামলার বরাত দিয়ে ওসি বলেন, মারধরের শিকার ডা. এ এইচ এম সালেকিন মামুন ইমারজেন্সিতে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এমতাবস্থায় দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে ইমারজেন্সির হটলাইনে মুক্তাগাছা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মাহবুবুল হক মনি পরিচয়ে তার ৭০ বছর বয়সী মায়ের করোনা পরীক্ষা বাসায় গিয়ে স্যাম্পল নেয়ার ব্যাপারে জানতে চান। জবাবে ডা. সালেকিন জানান, বাসায় গিয়ে স্যাম্পল নেয়া আপতত বন্ধ। তার মাকে হাসপাতালে এনে স্যাম্পল দেয়ার পরামর্শ দিলে সে ফোন কেটে দেয়।

এর কিছুক্ষণ পর আনুমানিক ২টা ৫ মিনিটে ৮-১০ জন মিলে তিনি ইমার্জেন্সিতে মেডিকেল অফিসারের রুমে ঢুকে চিকিৎসককে অকথ্য ভাষায় গালাগালি, লাঞ্ছিত করেন। এ সময় হাসপাতালের স্টাফ মিলে তাদের বিরত করার চেষ্টা করেন।

আপনার মতামত লিখুন :