রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
ঈশ্বরগঞ্জে প্রতিপক্ষের বল্লমের আঘাতে বালুশ্রমিক নিহত কলমাকান্দায় ওষুধ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার পেঁয়াজের পর এবার রসুনের দাম ছুঁয়েছে আকাশ বাজারে আসছে ২০০ টাকার নোট রেডিও কিনতে স্ত্রীর গয়না বিক্রি, জাদুঘর গড়ার স্বপ্ন তার ত্রিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমিকের মৃত্যু হালুয়াঘাটে বাসচাপায় অটোরিকশার ৪ যাত্রী নিহত শেরপুরে ভাষা দিবসের অনুষ্ঠান দেখতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই বন্ধুর গফরগাঁওয়ে চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, বাবা-মেয়ে আহত গফরগাঁওয়ে মায়ের সঙ্গে অভিমান করে শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ময়মনসিংহে বিনম্র শ্রদ্ধায় পালিত হলো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস গফরগাঁওয়ে ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন, চলাচল বিঘ্নিত প্রয়োজনে কিংবা অপ্রয়োজনে ক্রেতা হয়ে যান তাদের ৫২’র ভাষা আন্দোলনে ময়মনসিংহের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস গৌরীপুরে ৩ বছরেও অন্ধকারে কৃষক আফাজ খুনের রহস্য স্বামী বিদেশ, পরকীয়া প্রেমিকের হাতে প্রাণ গেল অন্তঃসত্তা গৃহবধুর ধোবাউড়ায় বিয়ের প্রলোভনে প্রেমিকাকে চারবন্ধু মিলে ধ’র্ষণ ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা প্রস্তুত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ধোবাউড়ায় অটোরিকশার ধাক্কায় স্কুলছাত্রী নিহত

জয়নুল আবেদিনের জন্মদিন আজ

বাংলার প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী শিল্পী জয়নুল আবেদিনের ১০৫তম জন্মদিন আজ। দেশের শিল্পকলা চর্চা ও বিকাশের পথিকৃৎ এ শিল্পী ১৯১৪ সালের ২৯ ডিসেম্বর কিশোরগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম তমিজউদ্দিন আহমেদ এবং মা জয়নাবুন্নেছা। তিনি ছিলেন বাবা-মায়ের দ্বিতীয় সন্তান।

শৈশব থেকেই ছবি আঁকার প্রতি ছিল প্রবল ঝোঁক। রং তুলির আঁচড়ে ফুল-ফল, বৃক্ষ, লতাপাতা, মাছ, পাখিসহ নানা বিষয় মেলে ধরেছেন সাদা ক্যানভাসে। মাত্র ১৬ বছর বয়সে বাড়ি থেকে পালিয়ে তিনি বন্ধুদের সঙ্গে ভারতের কলকাতায় গিয়েছিলেন গভর্নমেন্ট স্কুল অব আর্টস দেখতে। পরে সেখানেই পড়াশোনা করেন। ১৯৩৮ সালে ওই প্রতিষ্ঠানের ড্রইং অ্যান্ড পেইন্টিং ডিপার্টমেন্ট থেকে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করে।

১৯৪৩ সালের বাংলার দুর্ভিক্ষ জয়নুল আবেদিনকে একেবারে বদলে দেয়। তিনি নিসর্গ শিল্পী থেকে নিজেকে রূপান্তরিত করে হয়ে যান এক দুর্দান্ত বিদ্রোহী শিল্পী। বাংলার দুর্ভিক্ষকে কেন্দ্র করে ক্যানভাসে চিত্রমালা আঁকেন। ‘দুর্ভিক্ষ’ শিরনামের চিত্রমালার জন্য তিনি বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেন। এছাড়া তার বিখ্যাত শিল্পকর্মগুলো মধ্যে আছে ১৯৫৭ সালে আঁকা ‘নৌকা’, ১৯৫৯ সালে ‘সংগ্রাম’, ১৯৭১ সালে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’, ‘ম্যাডোনা’ ইত্যাদি। তার দুটি দীর্ঘ চিত্রকর্ম হচ্ছে ১৯৬৯ সালে আঁকা ‘নবান্ন’ এবং ১৯৭৪ সালে আঁকা ‘মনপুরা-৭০’। যা বিশ্ববন্দিত দু’টি শিল্পকর্ম।

তিনি চিত্রাঙ্কনের চেয়ে চিত্রশিক্ষা প্রসারের ওপর অনেক বেশি সময় ব্যয় করেছেন। অনুমান করা হয় তার চিত্রকর্মের সংখ্যা তিন হাজারেরও বেশি।

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে এই কীর্তিমান শিল্পীর ৮০৭টি চিত্রকর্ম সংগ্রহে আছে। বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের সংগ্রহে আছে প্রায় ৫০০ চিত্রকর্ম। এছাড়া পাকিস্তানের বিভিন্ন সংগ্রহশালায় তার বিপুল পরিমাণ চিত্রকর্ম সংরক্ষিত আছে। এমন কি তার পরিবারের কাছে এখনো প্রায় চার শতাধিক চিত্রকর্ম সংরক্ষিত আছে। ময়মনসিংহের সংগ্রহশালায় সংরক্ষিত চিত্রকর্মের সংখ্যা ৬২টি।

বাংলাদেশে চিত্রশিল্প বিষয়ক শিক্ষা প্রসারে আমৃত্যু প্রচেষ্টার জন্য গুণী এ চিত্রশিল্পী ‘শিল্পাচার্য’ নামে ভূষিত হন। তার বিখ্যাত চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে দুর্ভিক্ষ-চিত্রমালা, সংগ্রাম, সাঁওতাল রমণী, ঝড়, কাক, বিদ্রোহী ইত্যাদি। শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন ১৯৭৬ সালের ২৮ মে দীর্ঘ ৬ মাস ফুসফুসের ক্যানসারে ভুগে মাত্র ৬২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

কপিরাইট © গৌরীপুর নিউজ ডট কম ২০২০
Design & Developed BY A K Mahfuzur Rahman