দেখতে কেমন বাংলাদেশের ‘মদিনা মসজিদ’

জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত : মঙ্গলবার ১৩ অক্টোবর, ২০২০ /

মদিনা মসজিদ। এটি ময়মনসিংহ জেলার চর সিরতা ইউনিয়নের চরখরিচা গ্রামে নির্মিত হয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অনন্য সংযোজন এ মসজিদ। দেখতে মদিনার মসজিদে নববির মতো এর মিনার ও অবকাঠামো। যা দেখলে মনে হবে এ যেন মসজিদে নববির অবিকল আরেকটি মসজিদ। মসজিদটি অনন্য সংযোজন বৈদ্যুতিক গম্বুজ।

মসজিদটি দেখতেও দৃষ্টিনন্দন। দাওয়াতুল হক বাংলাদেশের আমীর, মহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমুদুল হাসান দৃষ্টিনন্দন মসজিদটি নিজ উদ্যোগে নিজ বাড়িতে গড়ে তোলেন। ২০১১ সালে মসজিদটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। মসজিদটির নির্মাণ কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন হওয়ার আগেই ২০১৭ সালের ৩ মার্চ জুমআ আদায়ের মাধ্যমে উদ্বোধন করা হয়।

ময়মনসিংহ জেলার চরখরিচা গ্রামে নির্মিত ‘মদিনা মসজিদ’-এর আকর্ষণ হলো- এটি দেখতে মসজিদে নববির মতো। এর মিনাগুলোও দেখতে মসজিদে নববির সুউচ্চ মিনারের মতো কারুকাজ করা। মসজিদটির অন্যতম বিশেষত্ব হচ্ছে- বৈদ্যুতিক গম্বুজ সংযোজন। সুইচ অন করলেই সরে যাবে মসজিদটির গম্বুজ। আর মসজিদের ভেতর থেকেই দেখা যাবে পুরো আকাশ।

এক নজরে মসজিদটির তথ্য

> মসজিদের নাম ‘মদিনা মসজিদ’

> অবস্থান- ময়মনসিংহ জেলা চর সিরতা ইউনিয়নের চরখরিচা গ্রামের সবুজ ছায়াঘেরা পরিবেশে অবস্থিত।

> মসজিদটি ৪ তলা বিশিষ্ট। প্রতি তলায় কাতার সংখ্যা ১৯টি।

> প্রতি কাতারে ১১০ জন মুসল্লির দাঁড়াতে পারবে।

> মসজিদটি মোট ৫টি গম্বুজ রয়েছে। চারটি স্থির এবং একটি বৈদ্যুতিক গম্বুজ।

> সুউচ্চ ২টি মিনার। ৪ তলার উপর থেকে মিনারের উচ্চতা ১৬০ ফিট।

> মসজিদটি মারকেল পাথর আর মিয়ানমার থেকে নিয়ে আসা কাঠের কারুকাজে সুসজ্জিত।

> মসজিদে উঠার জন্য একটি (স্কেলেটর) চলন্ত সিঁড়ির ব্যবস্থাপনাসহ রয়েছে মোট ৫টি সিঁড়ি।

> মুসল্লীদের প্রবেশ ও বাহির হওয়ার জন্য রয়েছে ছোট-বড় ৫টি দরজা।

> দৃষ্টিনন্দন দেখতে মদিনার মসজিদের নববির মতো অত্যাধুনিক এ মসজিদ নির্মাণে ব্যয় হয় প্রায় দুই শত কোটি টাকা।

বাংলাদেশে নির্মিত মদিনা মসজিদ দেখে জেগে উঠবে মদিনার মসজিদে নববির প্রতি ভালোবাসা আর নবি প্রেমিক মুসল্লিদের হৃদয় ও মনে লাভ করবে অন্যরকম এক তৃপ্তি।

আপনার মতামত লিখুন :