নারীর সম্ভ্রমহানির জন্য আইনশৃঙ্খলার অবনতিকে দায়ী করলেন এরশাদ

গৌরীপুর নিউজ
প্রকাশিত : শুক্রবার ১৭ এপ্রিল, ২০১৫ /

15988_3
বাংলা নববর্ষের দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নারীর সম্ভ্রমহানির ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিকে দায়ী করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।
রাজধানীর উত্তর জুরাইন মুন্সীবাড়ী শাহাদাত হোসেন রোডে জাতীয় পার্টি শ্যামপুর-কমদতলী থানা আয়োজিত কর্মীসভা ও দোয়া মাহফিলে আজ শুক্রবার বিকেলে তিনি একথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাপা চেয়ারম্যান।
এরশাদ বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন ঘটনা ঘটবে এটি চিন্তাও করা যায় না। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি দায়ী। যে দেশের প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলের নেতা ও স্পিকার নারী সে দেশে এমন ঘটনার কথা বলতেও ঘৃণা লাগে। এরশাদ সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
তিনি বলেন, খালেদা জিয়া চেয়েছিলেন আমি জেলে মরে যাই। এ জন্য অসুস্থ হলেও আমাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়নি। ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না, আজ খালেদার জিয়ার নির্বাচনে কোনো প্রার্থীই নেই।
জাপা চেয়ারম্যান আরো বলেন, আমার নামে খালেদা জিয়া ৪৬টি মিথ্যা মামলা দিয়েছিলেন। এখনো দুটি মামলা রয়েছে। উনার নামে কত মামলা জানি না। আল্লাহর বিচার আছে।
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত বলেন, দিনাজপুর হাজী দানেশ বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই জন ছাত্র মারা গেল। এমন রাজনীতি আমরা চাই না। নিজেরা-নিজেরা মারামারি করে ওরা প্রতিদিন মরছে। এজন্য কারো কোনো মায়া লাগে না। সবাই শুধু চায় ক্ষমতা আর ক্ষমতা।
এরশাদ বলেন, আমার সময় দুইজন লোক মারা গিয়েছিল। ওরা পুলিশের গুলিতে মারা যায়নি। আমি ক্ষমতা ছেড়ে দিয়েছিলাম। এখন কত লোক মারা যায়, গুম হয়, রাস্তায় লাশ পাওয়া যায় সে হিসাব আমরা রাখিই না।
তিনি বলেন, আমার সময়ে নাকি গণতন্ত্র ছিল না? এখন কিসের গণতন্ত্র চলছে? এ জন্য মানুষ পরিবর্তন চায়। আপনাদের কাছে দোয়া চাই। আল্লাহ যেন আমাকে দেশের জনগণের সেবা করার সুযোগ দেন।
জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক সৈয়দ আবু হোসেন বাবলার সভাপতিত্বে কর্মীসভা ও দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখেন সুজন দে, কাওছার আহমেদ, ইব্রাহিম মোল্লা, সেলিম আহমেদ, মাঈনুদ্দীন বাবু প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন :