প্রধানমন্ত্রীর কাছে পুলিশ সদস্যদের যত আবদার

গৌরীপুর নিউজ
প্রকাশিত : সোমবার ৬ জানুয়ারী, ২০২০ /

বাংলাদেশ পুলিশ ও কয়েকটি সরকারি সংস্থা চোরাই বা অবৈধ মালামাল উদ্ধার করে। অন্যান্য সংস্থার সদস্যরা তাদের উদ্ধারকৃত মালামালের মূল্যের উপর একটি প্রণোদনা পেলেও পুলিশ এ ধরনের কোনো সুবিধা পায় না। তাই উদ্ধার করা চোরাই এবং অবৈধ মালামালের ন্যূনতম ২.৫ শতাংশ প্রণোদনা হিসাবে চায় পুলিশ। সংশ্লিষ্ঠ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সম্প্রতি পুলিশ সপ্তাহ-২০২০ উপলক্ষে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সের অডিটরিয়ামে রুদ্ধদ্বার ‘কল্যাণ সভায়’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পুলিশ এ দাবি তুললেও তাৎক্ষণিকভাবে তিনি সম্মতি দেননি। এছাড়া গত দুই পুলিশ সপ্তাহে উত্থাপিত পুলিশের দাবির অধিকাংশ অসম্পূর্ণ থাকায় সভায় প্রায় একই দাবি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন পুলিশ সদস্যরা। প্রধানমন্ত্রী সম্মতি দেওয়া সত্ত্বেও সেই দাবি বাস্তবায়ন না হওয়ায় তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন। পুলিশ কনস্টেবল থেকে অ্যাডিশনাল এসপি পদমর্যাদার সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে এসব দাবি তুলে ধরেন। বৈঠকে উপস্থিত পুলিশের একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

বৈঠকে এসআই আনোয়ার হোসাইন প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, অন্যান্য বিভাগের সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীরা নানা ধরনের ছুটি মিলিয়ে বছরে প্রায় ১২০ দিন ছুটি ভোগ করেন। কাজের ধরন ও চাপের কারণে পুলিশ সদস্যরা কখনোই এই ছুটি ভোগ করতে পারেন না। ছুটি ভোগ না করে পুলিশ সরকারি দায়িত্ব পালন করে বিধায় পুলিশ সদস্যদের কমপক্ষে দুই মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ আর্থিক প্রণোদনা দেওয়ার দাবি করেন। দাবির ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী এক মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ আর্থিক সুবিধা দিতে সম্মত হন।

অবসরকালীন রেশনের উল্লেখ করে ইন্সপেক্টর নাজমুল আলম বলেন, পুলিশ সদস্যরা নানাবিধ ঝুঁকিপূর্ণ ও অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় কাজে লিপ্ত থাকায় চাকরি-পরবর্তী সময়ে অন্যরা যখন ভিন্ন কোনো কর্ম সংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারেন, পুলিশ সদস্যরা তখন নানা ধরনের অসুস্থতায় ভোগেন। এ সময় তাদের জীবন ও জীবিকা বেশ কষ্টসাধ্য হয়ে ওঠে। তাই, তাদের জন্য দুই সদস্যের আজীবন রেশন সুবিধার দাবি করেন। এ দাবিটিকে যৌক্তিক উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তা বাস্তবায়নে সম্মতি দেন।

আপনার মতামত লিখুন :