বেকার সময়ে প্রেম বিয়ে, চাকরির পর সব মিছে!

গৌরীপুর নিউজ
প্রকাশিত : বুধবার ১ মে, ২০১৯ /

বেকার থাকতে প্রেম করে বিয়ে এবং সংসারও করেছেন।
কিন্তু পুলিশে চাকরি হওয়ার পর বেমালুম সব ভুলে গেছেন। তিনি এখন স্ত্রীকে চেনেন না। এমন ঘটনা ঘটেছে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার শোলগাই গ্রামে। ওই তরুণী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত আবেদন করে স্ত্রীর মর্যাদা দাবি করেও সহায়তা পাচ্ছেন না।

স্থানীয় সূত্র এবং ভুক্তভোগী জানায়, ওই তরুণীর বাড়ি গৌরীপুর উপজেলায়। স্থানীয় একটি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে পড়ে।

ভুক্তভোগী তরুণী জানায়, এবার তিনি এইচএসসি পরীক্ষা দিচ্ছেন।

প্রায় চার বছর আগে পরিচয় হয় শোলগাই গ্রামের মঞ্জুরুল হকের ছেলে মহিদুল ইসলাম ওরফে নাদিমের সঙ্গে। দীর্ঘদিন প্রেমের পর বিয়ের কথা বলে তার সঙ্গে মহিদুল শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে বিয়ের কথা বললে তালবাহানা শুরু করেন। তবে শেষ পর্যন্ত তাকে বিয়ে করতে বাধ্য হন। বিয়ের পর মহিদুল তাদের বাড়িতে থেকে তার সঙ্গে সংসারও করেন। এর মধ্যে মহিদুলের পুলিশের চাকরি হলে সব কিছু ওলট-পালট হয়ে যায়। তার সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। এ অবস্থায় কূলকিনারা না পেয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যানের কাছে বিচার চায় ওই তরুণীর পরিবার।

পরে চেয়ারম্যান সালিসে মহিদুলকে হাজির করে ঘটনার সত্যতা পেয়ে সর্বসম্মতিক্রমে রেজিস্ট্রার মূলে বিয়ে করার নির্দেশ দেন। দীর্ঘদিন চলে গেলেও তা করেনি মহিদুল।

পরে গত ফেব্রুয়ারি মাসে ওই তরুণী নেত্রকোনা পুলিশ সুপারের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ করে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মহিদুল বর্তমানে নেত্রকোনা জেলার পুলিশ লাইনে কর্মরত আছেন।

এ বিষয়ে মহিদুল ইসলাম নাদিম জানান, তিনি ওই তরুণীকে চেনেন না। সালিসের বিষয়টি বললে মহিদুল বলেন, সে যেহেতু আমাকে তার স্বামী বলছে, তাই সালিসে এসে প্রমাণ দিতে বলেছি। আমি ব্যক্তিগতভাবে ম্যারিড।

এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান রিয়াদুজ্জমান রিয়াদ জানান, কয় মাস আগে ওই তরুণীর বাড়িতে এ ঘটনায় উভয় পরিবারের লোকজনের উপস্থিতিতে সালিস হয়েছিল। সালিস-দরবারে ইসলামী রীতি অনুযায়ী মহিদুলের সঙ্গে তরুণীটির বিয়ে পড়ানো হয়। পরে তাদের বিয়েটি রেজিস্ট্রি করে নেওয়ার কথা ছিল। সূত্র-কালেরকন্ঠ

আপনার মতামত লিখুন :