ময়মনসিংহে আওয়ামীলীগের উদ্যোগে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী পালিত

মো আরিফ রববানী
প্রকাশিত : রবিবার ৮ আগস্ট, ২০২১ /

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এর ৯১ তম জন্মবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন জেলা আওয়ামিলীগ ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ। দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষে রবিবার ৮ আগষ্ট সকাল ১১ টায় নগরের টাউন হল প্রাঙ্গণে ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বঙ্গবামাতার প্রতিকৃর্তিতে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। পরে বঙ্গমাতার আত্মার মাগফেরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এ সময় সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বক্তব্য রাখেন- ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সম্মানিত সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল, সহসভাপতি অধ্যাপক ইউসুফ খান পাঠান, এডভোকেট পীযুষ কান্তি সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী আজাদ জাহান শামীম, এম এ কুদ্দুস, সাংগঠনিক সম্পাদক আহাম্মদ আলী আকন্দ, দপ্তর সম্পাদক অধ্যক্ষ আবু সাইদ দ্বীন ইসলাম ফকরুল, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট আবু বকর সিদ্দিক, বন ও পরিবেশ সম্পাদক মিরন চৌধুরী, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক রেজাউল হাসান বাবু, সম্মানিত সদস্য এডভোকেট ইমদাদুল হক সেলিম, জেলা যুব লীগের যুগ্ম আহবায়ক শাহ শওকত ওসমান লিটন, সদস্য আনোয়ার জাহান শরীফ, কাজী মিল্টন, মন্জুর মোর্শেদ, মহানগর কৃষক লীগের সহসভাপতি নুর আলী তালুকদার সহ নেতৃবৃন্দ।
নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে বলেন-বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দীর্ঘ লড়াই ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা লাভ করে বাংলাদেশ। এ লড়াই-সংগ্রাম-আন্দোলনের নেপথ্যে প্রেরণাদাত্রী ছিলেন ফজিলাতুননেছা মুজিব। তিনি বঙ্গবন্ধুর গোটা রাজনৈতিক জীবন ছায়ার মতো অনুসরণ করে তার প্রতিটি কাজে প্রেরণার উৎস হয়ে ছিলেন। বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ছয় দফা ঘোষণার পর বঙ্গবন্ধু যখন বারবার পাকিস্তানি শাসকদের হাতে বন্দি জীবনযাপন করছিলেন, তখন আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা ফজিলাতুননেছা মুজিবের কাছে ছুটে যেতেন। তিনি তাদের বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন দিকনির্দেশনা পৌঁছে দিতেন ও লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার সাহস যোগাতেন। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় বঙ্গবন্ধুর প্যারোলে মুক্তি নিয়ে যখন আলোচনা হচ্ছিল তখন প্যারোলে মুক্তির বিপক্ষে বেগম মুজিবের দৃঢ়চেতা অবস্থান বাংলার মুক্তি সংগ্রামকে ত্বরান্বিত করেছিল। স্বামী বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ছায়ার মতো অনুসরণ করা বেগম মুজিব জীবনে অনেক ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করেছেন, এজন্য অনেক কষ্ট-দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে তাকে।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে জেলা আওয়ামিলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :