যুবলীগ নেতার সঙ্গে পালাল মা, বিয়ে ভাঙল মেয়ের

গৌরীপুর নিউজ
প্রকাশিত : মঙ্গলবার ১১ জুন, ২০১৯ /

প্রথম স্ত্রীর মৃত্যু নিয়ে আছে রহস্য! পরে দ্বিতীয় বিবাহ করেন প্রেম করে। তা ছাড়া এলাকায় ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে বিদ্যুতের নতুন মিটারের নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায়, নিরীহ মানুষদের নানাভাবে জিম্মি করে ভয়-ভীতি দেখিয়ে সুবিধা নেওয়াসহ নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত বলে জানান এলাকার ভুক্তভোগীরা। সব শেষ তিন সন্তানের জননী এক প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে উধাও হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। আজ সোমবার ওই যুবলীগ নেতাকে দল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

অভিযুক্ত যুবলীগ নেতা কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বঙ্গরা বাজার থানার ২ নম্বর আকুবপুর ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক রজ্বব হোসেন রাজু (৩৮)।

এলাকায় গিয়ে জানা যায়, ঈদুল ফিতরের পরের দিন ৬ মে রাতে শ্রীকাইল ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের সিঙ্গাপুরপ্রবাসী নাছির উদ্দিনের স্ত্রীর (৩৬) সাথে দীর্গদিন ধরে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্কের টানে উভয়ে পালিয়ে যায়। প্রতিবেশীরা বলেন, প্রবাসী স্বামী ছেড়ে যাওয়া ওই নারীর বড় মেয়ের ঈদের এক সপ্তাহ পর বিয়ে হওয়ার কথা থাকলেও মায়ের কারণে এখন তা ভেঙে গেছে। ওই নারীর দুই মেয়ে ও এক ছেলে আছে।

অপরদিকে আকুবপুর ইউনিয়নের ঘোড়াশাল গ্রামের যুবলীগ নেতা রজ্বব হোসেন রাজুর পরিবারেও স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে। তার প্রথম স্ত্রী আত্মহত্যা করেন এবং এক মেয়ে আছে, বিবাহিতা। দ্বিতীয় স্ত্রীর পরিবারে আছে দুই ছেলে।

বাঙ্গরা বাজার থানা যুবলীগের আহ্বায়ক নাইউম খান ও সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ নজরুল বলেন, আকুবপুর ইউনিয়ন যুবলীগ কমিটির আহ্বায়ক পদ থেকে রজ্বব হোসেন রাজুকে সাময়িক বহিষ্কার করেছি। এলাকায় যুবলীগ নেতা রাজুর বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের অনেক অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে। তার ভয়ে এলাকার মানুষ আতঙ্কে থাকেন।

একই গ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ সত্য, সে নিজে বিবাহিত হয়ে অন্যের স্ত্রী নিয়ে পালিয়ে যাওয়া অত্যন্ত নিন্দনীয়, তাকে পূর্বেও আমি সাবধান হতে পরামর্শ দিয়ে ছিলাম, কিন্তু সে একের পর এক দুর্নাম করে আওয়ামী যুবলীগ ও ঘোড়াশাল গ্রামের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করেছে।

বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতার মুঠোফোনে একাধিকবার যেগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন :