লকডাউন শিথিলে গৌরীপুরে পুলিশের ভূমিকা

ওবায়দুর রহমান
প্রকাশিত : মঙ্গলবার ২ জুন, ২০২০ /

মহামারী করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে সাধারণ ছুটি শেষে সারা দেশের মতো ময়মনসিংহের গৌরীপুরে রোববার (৩১মে) সরকারি-বেসরকারি অফিস-আদালত, ব্যাংক-বীমা, সব ধরনের দোকান, মার্কেট খুলেছে। সড়কে বেড়েছে যানবাহন চলাচল। সবখানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কথা থাকলেও তা পরিপূর্ণভাবে কোথাও পালন করতে দেখা যায়নি। গৌরীপুরবাসী লকডাউন অবস্থা থেকে মুক্ত হয়ে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা শুরু করলেও করোনা সংক্রমন রোধে বর্তমান অবস্থায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ব্যাপারে কতটুকু সচেতন?

লকডাউন শিথিলের পর পুলিশের ভূমিকার ব্যাপারে গৌরীপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বোরহান উদ্দিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অদৃশ্য এক ভাইরাসের বিরুদ্ধে আমরা যুদ্ধ করছি। পৃথিবীর কোন দেশ করোনা ভাইরাসের হাত থেকে মুক্ত থাকেনি। করোনা সংক্রমণ রোধে নিজের সুরক্ষা নিজের কাছে। যদি এটি অনুধাবন করতে না পারি অন্যজনকে তো জোর করে সুরক্ষা দেয়া কঠিন। জনগণের স্বার্থের কথা চিন্তা করে সামাজিক-শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে সরকার স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাফেরার আদেশ জারি করেছেন, এখন আপনি অপ্রয়োজনে ঘুরাঘুরি করবেন, অকারণে বের হবেন, জনসমাগম করবেন তা কিন্তু হবে না। বর্তমানে প্রতিদিনই করোনা রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই অহেতুক ঘর থেকে বের হয়ে ঘোরাঘুরি করা যাবে না।

সবাইকে চিন্তা করতে হবে আমরা একটি উন্নয়নশীল দেশে বাস করি। এখানে জীবন-জীবিকা দুটিই রক্ষা করতে হবে। সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী সবাইকে বাধ্যতামূলক মাক্স পরে বের হতে হবে, শারিরিক ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলতে হবে। গণপরিবহনে শারিরিক দূরত্ব বজায় রেখে প্রত্যেক যাত্রী ও ড্রাইভার, হেলপারের মাক্স পড়তে হবে এবং গাড়ীতে জীবাণুনাশক ছিটাতে হবে।

এ ব্যাপারে আমাদের এলাকার হাইওয়ে ও উপজেলার বিভিন্ন জনবহুল স্থানে আমাদের টহলসহ চলাফেরায় সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত আছে। পাশাপাশি গণপরিবহনে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক নির্ধারিত যাত্রীর বাইরে যাতে না নিতে পারে সেজন্য উপজেলার প্রধান সড়কের রামগোপালপুর ও কলতাপাড়া দুটি চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, এটি একটি বৈশ্বিক দূর্যোগ, সবার সহযোগীতা নিয়েই আমরা এই পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে চাই। তাই আসুন আমরা সবাই সরকারি বিধি-নিষেধ মেনে চলি। নিজ এলাকা ও দেশকে করোনা মুক্ত রাখি।

আপনার মতামত লিখুন :