ঢাকাবৃহস্পতিবার , ৩ জুন ২০২১

গৌরীপুরে মৌসুমি ফলে ভরপুর, দামেও কিছু স্বস্তি

আব্দুল কাদির
জুন ৩, ২০২১ ১০:৩৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

প্রকৃতির নিয়মে বছর ঘুরে জ্যৈষ্ঠের এ সময়ে গ্রীষ্মকালীন দেশীয় বিভিন্ন ফলে ভরপুর গোটা দেশ। গৌরীপুর এর ব্যতিক্রম ঘটেনি।
মৌসুমী ফলে ছেয়ে গেছে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা শহরের অলি-গলি ও হাট-বাজারে,তবে এসব ফলের মধ্যে দু’একটি ফলের দামও কিছুটা বেশী ।
এ নিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ জুন ) উপজেলা পৌর শহরের বিভিন্ন ফল দোকান ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় প্রতিটি দোকানে গ্রীষ্মকালীন মৌসুমি ফলের সমারোহ। এসব ফলের মধ্যে রয়েছে আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, আনারস ও তাল ইত্যাদি। এছাড়াও বেল, বাঙ্গি, তরমুজ, পেঁপে সহ দেখা গেছে আরও বিভিন্ন ধরনের ফল ।

গ্রীষ্মকালীন ফলের মধ্যে বর্তমানে ক্রেতাদের চাহিদার শীর্ষে রয়েছে কাঠাল, আনারস, জাম ও আম। বাজার দর পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, প্রতি একশত লিচু বিক্রি করছেন ২৬০ থেকে ২৮০ টাকায়, প্রতি পিস কাঁঠাল সাইজ অনুসারে ১০০ থেকে ২০০ টাকায়। আগামী সপ্তাহের মধ্যে মিষ্টি ও রসালো আম বিক্রির দখলে যাবে বাজার। এমনটাই ধারণা ফল ব্যবসায়ীদের।

ফল ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম জানান, এখন দেশীয় ফলের দাম অনেক কম, যেমন মল্লিকা প্রতি কেজি ৪০ টাকা, হিম সাগর ৪০ টাকা, নকলা রাজশাহী ৪৫ টাকা, লেংরা ৬০ টাকা, আমারোপালী ৬০ টাকা, আনার ৪০০ টাকা, জাম ৪০/৫০ টাকা, পেপে (এক কেজি ওজনের) ৫০/ ৬০ টাকা।
এছাড়াও তালের শ্বাস প্রতি পিস ১০থেকে ১৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর বাঙ্গি বিক্রি হচ্ছে আকার ভেদে ৩০ থেকে ৮০ টাকা পিস।

দেশীয় ফল যেমন আম, জাম, কাঠাল, গ্রাম এলাকা থেকে বাজারে প্রচুর আসার কারনে আমাদের বিক্রি অনেক কমে গেছে। তিনি আরো বলেন আগামী সপ্তাহের মধ্যে মিষ্টি ও রসালো আম বাজারে আসলে আমের বেচাকেনা জমে উঠবে।

তাহের মিয়া নামে এক ক্রেতা জানান, বড় সাইজের ১০০ পিস লিচু কিনেছি ৩০০ টাকা দিয়ে কিন্তু এই লিচু ১৫ দিন আগে ১৫০ টাকা দিয়ে কিনেছি। বাজারে ভরপুর মৌসুমি ফল থাকলেও কিছু ফলের দাম চড়া বলে মনে করেন এ ক্রেতা।

রহিম নামে অন্য এক ক্রেতা জানান, সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখতে এবং বিষাক্ত রাসায়নিক মুক্ত ফল বিক্রিতে প্রশাসন বাজার মনিটরিংয়ের অনুরোধ জানান তিনি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান মারুফ বলেন, আমরা চাই ফরমালিন মুক্ত নিরাপদ ফল এ উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে ক্রয়-বিক্রয় হোক। অনেক সময় কিছু অসাধু লোক কর্তৃক বেশি লাভের আশায় অনেক সিজনাল ফলমূলে ফরমালিন,কার্বাইড,পটাসিয়াম পারম্যাংগানেটসহ বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এসবের ভয়ে মানুষ ফল খেতে চায় না। ফলের খোসা ফেলে দিলে ও পানিতে ভিজিয়ে রাখলে এ থেকে অনেকটা রেহাই পাওয়া সম্ভব। এছাড়াও কোথাও অনিয়মের কিংবা এধরনের ভেজাল মিশানোর অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রিয় পাঠক আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর,খবরের পিছনের খবর সরাসরি জানাতে যোগাযোগ করুন। আপনার তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

মোবাইলঃ +8801791-601061, +8801717-785548, +8801518-463033

ইমেইলঃ news.gouripurnews@gmail.com