ময়মনসিংহবুধবার , ২০ ডিসেম্বর ২০২৩

মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেসে আগুন: স্যান্ডেল ও মুখের আকৃতি দেখে পুড়ে যাওয়া আরেকটি মরদেহ শনাক্ত

জেলা প্রতিনিধি
ডিসেম্বর ২০, ২০২৩ ১২:৪৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

রাজধানীর তেজগাঁও স্টেশনে মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেসে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে পুড়ে মারা যাওয়া অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তিকে নিজের চাচা বলে দাবি করেছেন বেলাল আহমেদ নামের এক যুবক। পরিচয় না পাওয়া দুই মরদেহের একটি তার চাচা রশিদ ঢালীর বলে দাবি তার।

মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে মরদেহটি শনাক্ত করেন বেলাল আহমেদ। রশিদ ঢালীর বাসা নেত্রকোনা শহরের নাগড়া এলাকায়।

তবে পুলিশ বলছে, শনাক্ত করতে না পারা দুই মরদেহ দেখে তাদের পরিচয় বোঝার উপায় নেই। এজন্য ডিএনএ পরীক্ষার প্রয়োজন। ডিএনএ পরীক্ষার পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে, দাবি করা মরদেহটি রশিদ ঢালীর কি না।

রশিদ ঢালীর ভাতিজা বেলাল আহমেদ বলেন, পায়ে পরা জুতা, মুখের আকৃতি দেখে তিনি নিশ্চিত হয়েছেন একটি মরদেহ তার চাচা রশিদ ঢালীর। তার চাচা ব্যবসার মালামাল কেনার জন্য সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) রাতে নেত্রকোনা থেকে মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেসে উঠেছিলেন। ভোর থেকে তাকে আর ফোনে পাওয়া যায়নি।

এদিকে জেলা বিএনপির দাবি, রশিদ ঢালী পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি ছিলেন। এরআগে তিনি যুবদলের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে শহরের বড় বাজার এলাকায় ব্যবসা করতেন।

নেত্রকোনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডা. আনোয়ারুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল কালাম বলেন, নেত্রকোনা সদরের দক্ষিণ বিশিউড়া ইউনিয়নের বরুনা গ্রামের নাদিয়া আক্তার পপি ও তার ছেলের মরদেহ তার ভাই হাবিবুর রহমান শনাক্ত করেছেন। আর আব্দুর রশিদ ঢালীর মরদেহটি তার ভাতিজা শনাক্ত করেছেন বলে শুনেছি।

নেত্রকোনা থেকে ছেড়ে যাওয়া মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মা-ছেলেসহ চারজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) ভোর ৫টায় তেজগাঁও স্টেশনে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে দুজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। তারা হলেন নাদিরা আক্তার পপি (৩৫) ও তার ছেলে ইয়াসিন আরাফাত (৩)। এরমধ্যে একজন রশিদ ঢালীর বলে শনাক্ত করলেন তার স্বজন।

    ইমেইলঃ news.gouripurnews@gmail.com